1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
বাংলাদেশির নি'র্ম'ম মৃ''ত্যু'তে যে সিদ্ধান্ত জানালো সৌদির আদাল'ত -

বাংলাদেশির নি’র্ম’ম মৃ”ত্যু’তে যে সিদ্ধান্ত জানালো সৌদির আদাল’ত

  • আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৬ বার পঠিত

 

সৌদি আরবের রিয়াদের (ক্রি’মিনাল কোর্ট ৬) আদাল’তে আবিরন বেগম হ”ত্যা মা’মলার আনুষ্ঠানিক শুনা’নি শুরু হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর প্রথম শুনা’নি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানবাধিকারক’র্মী এবং না’রী অ’ভিবাসন নিয়ে কর্মরত ব্যক্তিরা বলছেন, সৌদি আরবে নি”র্যা’তন বা হ”ত্যার শি’কার হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে বি’চার শুরু হওয়ার নজির কম।

খুলনার আবিরন বেগম সরকারিভাবে গৃ’হক’র্মীর কাজ নিয়ে সৌদি আরবের রিয়াদে গিয়েছিলেন ২০১৭ সালে। দুই বছর তিন মাস পরে গত বছর আবিরন লা’শ হয়ে দেশে ফেরেন। লা”শের সঙ্গে থাকা আবিরনের মৃ”ত্যুসনদে মৃ”ত্যুর কারণের জায়গায় লেখা ছিল মা’র্ডা’র (হ”ত্যা)।

আবিরনের পরিবারের পক্ষ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিয়ে রিয়াদে দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. সফিকুল ইসলাম ও অনুবাদক সুহেল আহমেদ আদালতে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। প্রথম দিনের শুনানি শেষে আবিরন হ”ত্যা মা’মলায় আটক তিন সৌদি নাগরিক হলেন আবিরনের গৃহক”র্তা বাসেম সালেম, তাঁর স্ত্রী আয়েশা আল জিজানি এবং এই দ”ম্পতির ছেলে ওয়ালিদ বাসেম সালেমের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন।

১৭ ডিসেম্বর রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) মো. মেহেদী হাসানের সই করা এক চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। দূতাবাসের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আবিরনের মৃ”ত্যুতে আদাল’ত দুঃখ প্রকাশ করেছেন। হ”ত্যার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন করে সৌদি শরিয়া আইন অনুযায়ী যথাযথভাবে বি’চার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে বলেও আদালত উল্লেখ করেছেন।

মা’মলার তিন অ’ভিযু’ক্ত আসামি জেলখানা থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন। এ সময় তাঁদের আইনজীবীও উপস্থিত ছিলেন। শুনানিতে অ’ভিযু’ক্ত আসা’মিরা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অ’ভিযোগ অ’স্বীকার করেছেন। অ’ভিযোগ’পত্রে অভিযু’ক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও ইচ্ছাকৃতভাবে হ”ত্যা এবং হ”ত্যায় সহযোগিতা করার কথা উল্লেখ আছে। প্রথম দিনের শুনা’নি শেষে আদাল’ত আবিরনের ওয়ারিশদের পাঠানো পাওয়ার অব অ্যাটর্নিতে কিছু অ’তিরি’ক্ত ক্ষমতা সংযোজন করে আবার পাঠানোরও নির্দেশ দিয়েছেন।

সন্তা’ন না হওয়ায় ২০ বছর আগে স্বামী তা’ড়িয়ে দিলে আবিরন বাবার বাড়ি ফেরত এসেছিলেন। বিদেশ গিয়েছিলেন বোনদের পড়াশোনা ও পরিবারের খরচ জোগাতে। ছয় বোনের মধ্যে আবিরন ছিলেন মেজ। গত বছরের ২৪ অক্টোবর ভোরে ক’ফিনে মুড়ে আবিরনের লা”শ দেশে আসে। ওই দিনই প্রথম আলো অনলাইনে ‘কফিনে ফিরল আবিরনের স্বপ্নও’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রকাশিত প্রতিবেদনটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত (সুয়োমোটো) হয়ে আমলে নিয়ে এক সদস্যবিশিষ্ট একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করে এবং কমিশনের অবৈতনিক সদস্য নমিতা হালদারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বছরটির ২৫ নভেম্বর খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রামনগর গ্রামে আবিরনের বাবা আনছার সরদারের (বর্তমান বয়স ৭৫) বাড়ি সরেজমিন পরিদর্শন করে নমিতা হালদার মানবাধিকার কমিশনের কাছে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রতিবেদন জমা দেন।

নমিতা হালদার তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশে রিয়াদ দূতাবাসের মাধ্যমে আবিরনের জন্য ক্ষ’তিপূরণ আদায়, অ’ভিযু’ক্ত নি”র্যা’তনকা’রীদের আদালতের মাধ্যমে দৃ’ষ্টান্ত’মূলক শা”স্তি দিতে আই’নি পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন। নমিতা হালদার এর আগে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News