1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
মালয়েশিয়ায় ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কোয়ারেন্টিন সেন্টার, ভিডিও ভাইরাল -

মালয়েশিয়ায় ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কোয়ারেন্টিন সেন্টার, ভিডিও ভাইরাল

  • আপডেটঃ রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১২ বার পঠিত

 

মালয়েশিয়ার একটি কোয়ারেন্টিন সেন্টারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) মালয়েশিয়া অ্যাগ্রো একসপোশন পার্ক সেরডাং (এমএইপিএস) কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন সেন্টারের ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সেখানের অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মিল নেই বলে দাবি করছে কর্তৃপক্ষ। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ পরিচালনা সংস্থা (নাদমা) জানিয়েছে, ভিডিওতে রোগীদের থাকার ব্যবস্থার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হয়নি। নাদমার মুখপাত্র নূর ডালিজা দোহাত বলেন, ভিডিওতে প্রতিদিনের স্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখানো হয়েছে।

তিনি বলেন, কোয়ারেন্টিন সেন্টারটিতে ৮ হাজার শয্যা রয়েছে। ৮ জানুয়ারী মধ্যরাত পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬৩ জন রোগী ছিলেন সেই প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ১৭৭ শয্যা খালি রয়েছে। নূর ডালিজা বলেন, যদিও হলটিতে কোনও বিভাজন ছিল না, নির্ধারিত মান পদ্ধতি অনুসারে কোভিড -১৯ রোগীর শারীরিক দূরত্ব মেনে পরিচালনা করা হচ্ছে।

বর্তমানে সেন্টারে বিভিন্ন এজেন্সি থেকে ১ হাজার ১৭০ জন কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। চলমান মহামারি করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে মালয়েশিয়ায়। কড়া বিধিনিষেধ আরোপের পরেও যেন থামছেনা। তবে এ যাত্রায় দেশটির নাগরিকদের পাশাপাশি বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন আভিবাসী কর্মীরা। আক্রান্ত বিদেশি কর্মীদের বাসে করে নেয়া হচ্ছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিভিন্ন প্রদেশের সীমান্ত খোলে দেয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের ডিজি তানশ্রী ডা. নূর হিশাম আব্দল্লাহ বলেন, ফ্রন্টলাইনাররা তাদের ভোগবিলাস ছেড়ে মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৪৫১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৫ জন। চলমান করোনা বিস্তার রোধে ১১ জানুয়ারি পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।

এদিকে চলমান কোভিড-১৯ এ বিদেশি কর্মীরা আক্রন্ত হওয়ায় নিয়োগকর্তার মাধ্যমে কর্মীদের আলাদা কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দেয় মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রণালয়। এ ঘোষণাকে অযৌক্তিক বলে কড়া সমালোচনা করেছে ফেডারেশন অফ মালয়েশিয়ার ম্যানুফ্যাকচারার্স (এফএমএম)। সম্প্রতি মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানানের এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় এ সমালোচনা করেছে এফএমএম। বিষয়টিকে সংক্রামকের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নয় এমন কাউকেই বাধ্যতামূলক ও সংবিধিবদ্ধভাবে পরিচালনা করা অনুচিত বলে মনে করছেন এফএমএম সভাপতি সোহ থিয়ান লাই।

সোহ সরকারকে সতর্ক করে বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে সংস্থার মধ্যে আরও বেশি লোক সংক্রামিত হতে পারে। মালিক পক্ষের কাছে এই দায়িত্ব দেয়া ভুল, যার নিজস্ব কোরেন্টিন সেন্টার পরিচালনা এবং পরিচালনা করার জন্য সংস্থা এবং পেশাদার প্রশিক্ষণ নেই এবং তার ফলে একটি বিপর্যয় ঘটবে। বিদেশী কর্মীদের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার কারণে নিয়োগকারীদের পক্ষে বাড়ি ভাড়া নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে মানবসম্পদ মন্ত্রনালয় এক বিবৃতিতে বলছে, নিয়োগকর্তাদের আলাদাভাবে চিকিৎসা ব্যয় এবং বিদেশী শ্রমিকদের কল্যাণে ব্যয় বহন করার কথা বলা হয়েছে। মালয়েশিয়ার এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (এমইএফ) বলছে, সরকারের বেশি শর্ত ও ব্যয় নিয়ে নিয়োগকর্তাদের উপর বোঝা চাপানো উচিত নয়। এমইএফের নির্বাহী পরিচালক শামসুদ্দীন বরদান বলেন, ব্যয় কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। যদিও আমরা নিয়োগকর্তাদের ব্যবসা চালু রাখতে সরকারের দেওয়া সব সহায়তার প্রশংসা করি। তবে করোনাভাইরাসের সমস্ত ব্যয় সরকারের বহন করা উচিত।

সোহ শামসুদ্দিনের সাথে একমত পোষণ করে বলেন, নিয়োগকারীরা স্থানীয় এবং বিদেশী উভয় শ্রমিকের জন্য সসোতে অবদান রেখেছিলেন। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি যে ব্যবসারা টিকে থাকার লড়াইয়ে যখন সংগ্রাম চালাচ্ছে তখন সেটির প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে আসার সময় এসেছে সোকসো সামাজিক সুরক্ষা সংস্থারও।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News