1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
না জেনে হিজড়ার সঙ্গে বিয়ে হওয়া এই নারীর বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা -
শিরোনাম
প্রবাসী ইমাম সাহেবকে নতুন গাড়ি উপহার দিলেন মসজিদ কর্তৃপক্ষ মোবাইলে থাকে সোনা, ফেলে দেওয়া পুরনো ফোন দিয়ে চলে কোটি টাকার কারবার সকল প্রবাসীদের জন্য দারুণ সুখবর দিলেন মন্ত্রী ইমরান আহমদ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, এই হিন্দু ভদ্রলোকটি সিলেট থেকে___ কলেজ ছাত্রকে তুলে এনে জোর করে বিয়ে করলো এক মেয়ে- ভিডিও মালয়েশিয়া থেকে পোড়া কপাল নিয়েই দেশে ফিরছেন তেরা মিয়া সিনেমার গল্পের মতোই রিয়াজ-তিনার প্রেমকাহিনী খুশি প্রবাসী বাংলাদেশীরাও, মালয়েশিয়ায় শতভাগ যাত্রী নিয়ে চলছে গণপরিবহন! ভাই আমাকে বলবেন, ৫০ হাজার লোক নিয়ে আসবো: ডা. মুরাদ দুঃসংবাদ দেশবাসীর জন্য: ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প বাতিল করেছে সরকার

না জেনে হিজড়ার সঙ্গে বিয়ে হওয়া এই নারীর বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা

  • আপডেটঃ শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১০ বার পঠিত

 

আধুনিক ভারতীয় না’রীদের চিন্তাভাবনা-বিবেচনা নিয়ে শুরু হয়েছে বিবিসি হিন্দির বিশেষ ধারাবাহিক প্রতিবেদন ‘হার চয়েস’। ১২ ভারতীয় না’রীর বাস্তব জীবনের অ’ভিজ্ঞতা,আকাঙ্ক্ষা ও বিকল্পের সন্ধান- এসবই উঠে এসেছে তাদের মুখ থেকে।তারই ধারাবাহিকতায় আজ দক্ষিণ ভারতের এক না’রীর জীবনকথা নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে বিবিসি বাংলা।

তবে মে’য়েটির অনুরোধে প্রতিবেদনটিতে তার নাম-পরিচয় গো’পন রাখা হয়েছে।সেটি ছিল আমার বিয়ের প্রথম রাত। প্রথমবার কোনো পুরু’ষের স’ঙ্গে অন্তরঙ্গ হতে চলেছিলাম আমি। প্রা’ণের বান্ধবীদের কাছ থেকে শোনা কিছু কথা আর কয়েকটা পর্নো ভিডিও দেখে আমার মনের মধ্যে প্রথম রাতের যে ছবিটি বারে বারে মনে পড়ছিল, ই’চ্ছাগুলোও জেগে উঠছিল সে রকমভাবেই।

মাথা ঝুঁ’কিয়ে, হাতে দু’ধের গ্লাস নিয়ে আমি যখন শোবার ঘরে প্রবেশ করলাম, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই ছবির মতোই সব কিছু চলছিল। আমি তখনও জানতাম না যে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার সেই স্বপ্নগুলো ভে’ঙে যাবে।প্রথম রাতের স্বপ্নে এ রকমটা হওয়ার ছিল- আমি ঘরে আসার পর স্বা’মী আমাকে জড়িয়ে ধরবে, চু’ম্বনের স্রোতে ভাসিয়ে দেবে, আর সারা রাত ধরে আমাকে ভালোবাসবে।

কিন্তু বাস্তব যে ছবিটি দেখলাম তা হল- আমি ঘরে ঢোকার আগেই আমার স্বা’মী ঘুমিয়ে পড়েছেন। ওই মুহূর্তে মনে হল আমার অস্তিত্বটাই যেন আমার স্বা’মী সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করলেন।আমার বয়স সেই সময়ে ছিল ৩৫। আমি কৌমার্য হারাইনি তখনও। স্বপ্নভঙ্গ কলেজে পড়ার সময়ে বা তার পরে যখন চাকরি করি, তখনও দেখতাম আমারই কাছের কোনো ছেলে আর মেয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্প’র্ক গড়ে উঠছে। তারা একে অন্যের হাত ধরে বা কাঁধে মাথা রেখে ঘুরে বেড়াত।

আমি মনে মনে ভাবতাম, আহা! যদি আমারও এ রকম কোনো সুযোগ আসত। আমারও তো ই’চ্ছা হতো ওইভাবে কারও ঘনিষ্ঠ হতে!আমাদের পরিবারটা বেশ বড় ছিল- চার ভাই, এক বোন, ব’য়স্ক বাবা-মা। তবুও আমার সবসময়েই একা লাগত। আমার ভাইবোনদের সবারই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল।তাদের সবার পরিবার ছিল। কোনো সময়ে এটিও মনে হতো যে, ভাইবোনেরা কি আমার জন্য একটু চিন্তা করে?

তাদের কী মনে হয় না যে আমারও বয়স হচ্ছে, তবুও আমি ততদিনও একা? আমারও তো প্রেম করতে ই’চ্ছা করত। একাকীত্ব গ্রাস করছিল আমাকে।কখনও কখনও মনে হতো যে, আমি খুব মো’টা- সে জন্যই আমার ই’চ্ছাগুলো পূরণ হয় না। কিন্তু পুরু’ষ মানুষ কি মো’টা মেয়ে পছন্দ করে না? শুধু কি আমার ওজনের জন্য আমার পরিবার জীবনস’ঙ্গী খুঁজে পাচ্ছে না? তা হলে কি চিরজীবন আমাকে একাই কা’টাতে হবে?

এসব প্রশ্ন আমার মনের মধ্যে সব সময়ে ঘুরপাক খেত।অতঃপর বিয়ে শেষমেশ আমার যখন ৩৫ বছর বয়স, তখন বছর চল্লিশের একজন আমাকে বিয়ে করতে এগিয়ে এলো। যখন প্রথম দেখা করি তার স’ঙ্গে, তখনই আমার মনের মধ্যে থাকা চিন্তাগুলো তাকে জানিয়েছিলাম। সে কোনো কথারই জবাব দেয়নি। আমার মনে হতো আমার কথাগুলো যেন মন দিয়ে শুনছেই না। সবসময়ে নিচের দিকে তাকিয়ে থাকত সে।

কোনো কথারই জবাব দিত না; শুধু মাথা নাড়িয়ে উত্তর দিত।আমি ভাবতাম আজকাল মেয়েদের থেকেও অনেক বেশি লজ্জা পায় পুরু’ষ মানুষ। আমার হবু স্বা’মীও বোধহয় সে রকম। তাই আমার কোনো কথারই জবাব দিচ্ছে না। কিন্তু বিয়ের পর প্রথম রাতের ঘ’টনায় আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম।আমি শুধু ভাবছিলাম সে কেন ও রকম আচরণ করল। পরের দিন সকালে আমি যখন জিজ্ঞাসা করলাম, সে জবাব দিল যে তার শ’রীর ভালো ছিল না।

কিন্তু তার থেকে আর একটি শব্দও বার করতে পারিনি।প্রথম রাতের পর দ্বিতীয়, তৃতীয় রাতও কে’টে গেল একইভাবে।সব গো’পন করা হয় আমি শাশুড়ির কাছে বি’ষয়টি জানালাম। কিন্তু তিনিও ছেলের পক্ষ নিয়ে বলতে লাগলেন। ‘ও লজ্জা পাচ্ছে। ছোট থেকেই মেয়েদের স’ঙ্গে কথা বলতে অস্বস্তিবোধ করে। ছেলেদের স্কুলে পড়াশোনা করেছে তো সে জন্যই। ওর কোনো দিদি বা বোন নেই, কোনো মেয়ে বন্ধুও নেই।

সে জন্যই এ রকম আচরণ,’ বলছিলেন আমার শাশুড়ি।সাময়িক স্বস্তি পেয়েছিলাম কথাটা শুনে। কিন্তু ব্যাপারটি আমার মাথা থেকে কিছুতেই গেল না। ওদিকে আমার সব ই’চ্ছা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন এক এক করে ভে’ঙে যাচ্ছিল। শুধু যে শা’রীরিক চা’হিদাই আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল তা নয়। আমার স্বা’মী কোনো কথাই বলত না।আমার মনে হতে লাগল যে, ও সবসময়েই আমাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। আমার থেকে সে পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

যখন কোনো না’রী পোশাক ঠিক করে, তখনও পুরু’ষ মানুষ আড় চোখে সেদিকেই তাকিয়ে থাকে। কিন্তু আমি যদি রাতে সব পোশাক খুলেও ফেলি, তা হলেও আমার স্বা’মী সম্পূর্ণ উদাসীন থাকতেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News