1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
কাদের মির্জা, নিক্সন, একরামকে হলুদ সংকেত -

কাদের মির্জা, নিক্সন, একরামকে হলুদ সংকেত

  • আপডেটঃ সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১০ বার পঠিত

 

দলীয় ফোরামের বাইরে আপত্তিকর কথাবার্তা বলার জন্য আওয়ামী লীগের আলোচিত তিন নেতাকে মৌখিক ভাবে সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এরকম আপত্তিকর প্রকাশ্য কথাবার্তা বলা হলে, তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হবে।

আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষনেতা বলেছেন ‘আওয়ামী লীগের কয়েকজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি একে অন্যকে আক্রমণ করে প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখছেন। এধরনের বক্তব্য দলের শৃংখলার পরিপন্থী এবং গঠনতন্ত্র বিরোধী।’ জানা গেছে এনিয়ে ঐ তিন জন প্রতিনিধিকে সতর্কবার্তা দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে।

তিনি ইতিমধ্যেই তার ছোট ভাই কাদের মির্জাকে কথাবার্তা বন্ধ এবং সংযত করার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য দুইজনকেও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক একই বার্তা দেবেন বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগের সূত্রে জানা গেছে, এটা ঐ নেতাদের জন্য লাষ্ট ওয়ার্নিং বা হলুদ সতর্ক বার্তা। এই মৌখিক নির্দেশনার পর যদি তারা প্রকাশ্যে দলের অন্য নেতাকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখেন তাহলে তাদের উপর শাস্তির খড়গ নেমে আসবে।

আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন ‘ কেউই গঠনতন্ত্রের বাইরে নয়। এরকম লাগামহীন বক্তব্য আওয়ামী লীগের চেইন অব কমান্ড নষ্ট করছে। এটাকে প্রশ্রয় দিলে সারাদেশে নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে এই ব্যাধি মহামারির মতো ছড়িয়ে পরবে।’ আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গত কিছুদিন ধরেই এই তিনজন নানারকম আপত্তিকর বক্তব্য রাখছেন। বিশেষ করে বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের আগে আলোচনায় আসার জন্য আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাদের মির্জা নানা আক্রমণাত্মক এবং আত্ম সমালোচনা মূলক বক্তব্য শুরু করেন।

তিনি দলের একাধিক নেতার নাম উচ্চারণ করে, তাদের বিরুদ্ধে বিষোদাগার করেন। সে সময় আওয়ামী লীগের ঊর্ধ্বতন নেতারা নির্বাচনী কৌশল হিসেবে এটিকে উপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পরও তিনি অন্য নেতাদের আক্রমণ করে বিতর্কিত মন্তব্য অব্যাহত রাখেন। বিশেষ করে ফরিদপুরের এমপি নিক্সন চৌধুরী এবং নোয়াখালীর এমপি একরাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে তার বক্তব্য আওয়ামী লীগে তোলপাড় সৃষ্টি করে।

পাল্টা বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিক্সন চৌধুরী এবং একরাম চৌধুরীও আ’ক্রম’ণাত্মক বক্তব্য রাখেন। বিশেষ করে ওবায়দুল কাদেরের পরিবারকে নিয়ে একরাম চৌধুরীর বক্তব্য দলের ভেতর তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তখনই এসব বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়, দলের হাইকমান্ড থেকে। একই সাথে, এধরনের বিতর্কিত বক্তব্য রাখা থেকে বিরত রাখতে সতর্ক করে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News