1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
প্রয়োজনে নিজের দেহ বিলিয়ে দিতে কার্পণ্য করতো না নেহা! -
শিরোনাম
বিমানবন্দরে অতিরিক্ত ভিড়, আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল কর্তৃপক্ষ আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে দলীয় প্রার্থী দেবে নূর সবাই পাচ্ছেন মাই ট্রাভল পাস, সবাই মালয়েশিয়াতে প্রবেশ করতে পারবেন! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল পরীমণির ব্যাঙ্গচিত্র, ক্ষেপেছেন ভক্তরা প্লিজ সবাই শেয়ার করে প্রবাসীর লাশটিকে দ্রুত দেশে পাঠাতে সাহায্য করুন চেয়ারম্যানের নির্দেশ ছাড়া চুল কাটা যাবে না, ভোলায় বিজ্ঞপ্তি জারি মালয়েশিয়ায় কারা বৈধ হতে পারবে, কারা পারবেনা/লাল সিল,বৈধ হওয়া সম্পর্কে তথ্য আলহামদুলিল্লাহ্‌! ফের মালয়েশিয়ায় এসে পৌঁছালাম মালয়েশিয়ায় ফিরে যাওয়া প্রবাসীদের কোয়ারেন্টাইন খরচ বহন করবে নিয়োগকর্তা বাংলাদেশকে ১৫ টি ঘোড়া উপহার দিলো ভারত

প্রয়োজনে নিজের দেহ বিলিয়ে দিতে কার্পণ্য করতো না নেহা!

  • আপডেটঃ সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫ বার পঠিত

 

ফারজানা জামান নেহা ওরফে ডিজে নেহা। এই সুন্দরী রমণী কুইন নেহা নামেও তার চক্রে পরিচিত। রাতে তার পরনে থাকে প্রায় অর্ধ উল’ঙ্গ ওয়েস্টার্ন ড্রেস। চালচলনে বি’কৃত রকমের আভিজাত্যের ছাপ। দিনে ঘুম, রাতে ডিজে ও ম’দের পার্টিতে অশ্লীল রকমের নাচ। লাল-নীল আলো আঁধারে ঠোঁটে শিশার পাইপ দিয়ে স্লো মোশনে ধোঁয়া ছাড়া যার নে’শা।

কখনওবা হাতে দামি বিদেশি ম’দের বোতল নিয়ে চুমো দেয়া তার ফ্যাশন। নামি-দামি ব্রান্ডের গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো এই রমণী বাগে আনা ধনী পরিবারের তরুণ-তরুণীদের দিয়ে করান রম’রমা দেহ ব্যবসা। এক কথায় ওয়েস্টার্ণ ধাঁচে চলাফেরা করা রূপের ঝলক দেখানো ডিজে নেহা নানান কুকর্ম ও অশ্লীলতার মধ্যেই ডুবে ছিলো।

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছা’ত্রীকে অ’তিরিক্ত ম’দপান করিয়ে ধ’র্ষণ ও হ’ত্যার ঘটনায় দায়ের করা মা’মলায় গ্রে’ফতার হন ফারজানা জামান নেহা ওরফে ডিজে নেহা। মৃ’ত ছা’ত্রীর বাবার দায়ের করা মা’মলায় অন্যতম আ’সামি এই নেহা। গ্রে’ফতারের পর মা’মলা সুষ্ঠু ত’দন্তের জন্য তাকে ৫ দিনের পু’লিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। পু’লিশি জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

নেহার অন্যতম টার্গেট ছিলো শিল্পপতি কিংবা তাদের সন্তানরা। হাতের নাগালে কোনো শিল্পপতি পেয়ে গেলেই যেনো কপাল খুলে যেতো তার। কলাকৌশলে বিভিন্ন রকমের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেই জায়গা করে নিতো টার্গেট’কৃতদের মনে। নেহার ব্লাকমেইলিংয়ের কবলে পড়েছেন দেশের শীর্ষ পর্যায়ের শিল্পপতিও। এছাড়া রয়েছেন ঢাকা এবং চট্টগ্রামের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক গাড়ি ব্যবসায়ী। যারা গাড়ি আম’দানিকারক এবং গাড়ির বিক্রেতা।

শিল্পপতির মুঠোফোন নম্বর, যে প্রক্রিয়ায় যু’ক্ত হয়ে যেতো তাদের ফেসবুকসহ অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমে। ওই শিল্পপতিদের ফেসুবকসহ অন্যান্য অনলাইন মাধ্যম ঘেঁটে একে একে যোগাড় করতো তাদের বাবা-মা, স্ত্রী’ কিংবা নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগের উসিলা। আবার এই তালিকা থেকেই অনলাইনে আরও শিকার খুঁজে বেড়াতো সে। এসব কুকর্মে তার ডান হাত হিসেবে কাজ করতো তারই খালাতো ভাই শাফায়াত জামিল বিশাল।

এই তরুণ অ’পকর্মের মহারাণী খ্যাত ডিজে নেহা ওরফে কুইন নেহার স’ম্পর্কে খালাতো ভাই। বিশাল নেহার ডান হাত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো। ইউল্যাবের শিক্ষার্থী মাধুরীর মৃ’ত্যুর পরই বেরিয়ে পড়ে সুন্দরী নেহার ভেতরে থাকা কালো বিড়াল। বিশাল নামের তরুণ প্রায় সার্বক্ষণিকই নেহার সঙ্গেই থাকতো বলে জানা গেছে। ত’দন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিজে নেহার পছন্দের মোবাইল ফোনে (আইফোন) টার্গেট করা ব্যবসায়ী ও ধনী যুবকদের নম্বর ‘ক্লায়েন্ট-১’, ‘ক্লায়েন্ট-২’, ‘ক্লায়েন্ট-৩’ এমন ধারাবাহিকভাবেই সংরক্ষণ করা আছে। কারও কারও নাম সংক্ষেপে প্রথম বর্ণ দিয়েও সংরক্ষণ করা।

জিজ্ঞাসাবাদে নেহা জানিয়েছেন, গত বছরের মা’র্চে চট্টগ্রামের এক গাড়ি ব্যবসায়ীর সঙ্গে একটি পার্টিতে তার পরিচয় হয়। এরপর ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে স’ম্পর্ক গড়ে কৌশলে ৬ মাসে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন নেহা। এরই মধ্যে ওই গাড়ি ব্যবসায়ীর এক ফেসবুক বন্ধুর সঙ্গেও পরিচয় হয় নেহার। সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত নেহা ঢাকার ওই গাড়ি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি হাতিয়েছেন। নেহার ব্যবহৃত ১ লাখ ৩৭ হাজার টাকা দামের আইফোন টুয়েলভ প্রো ম্যাক্স ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকেই নেয়া। এভাবেই আরো অনেক ব্যবসায়ীকে মা’দক ও নারী সঙ্গের জালে জড়িয়েছিলেন নেহা। নেহার এসব কাজে সহযোগিতা করতেন তারই চাচাতো ভাই শাফায়াত জামিল বিশাল। বিশাল সার্বক্ষণিক নেহার সঙ্গেই থাকতেন।

২৮ জানুয়ারি উত্তরার ব্যাম্বু স্যুট রেস্টুরেন্টে ইউল্যাব শিক্ষার্থীদের ম’দপান করাতে নেহা ও তার খুব কাছের বন্ধু আরাফাত পার্টির আয়োজন করেন। ম’দপানের পর অ’সুস্থ হয়ে আরাফাতও মা’রা গেছেন। সেদিন নেহার ফোনেই তার চাচাতো ভাই শাফায়াত জামিল ওরফে বিশাল এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে ম’দ কিনে নিয়ে যায় ওই রেস্টুরেন্টে। নেহা পু’লিশকে জানিয়েছেন, খদ্দেরদের তালিকা সংরক্ষণ করতেন বিশাল। এছাড়াও অ’বৈধ দরদামে সে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করতেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছা’ত্রী মাধুরীর মৃ’ত্যুর পর তার বাবার মা’মলায় অ’জ্ঞাত আ’সামি হিসাবে নিজেই আ’দালতে গিয়ে আত্মসম’র্পণ করেন বিশাল। পরে আ’দালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এছাড়া ওই ছা’ত্রীর ছে’লে বন্ধু আরিফ এবং তাদের বাসায় আশ্রয়দাতা তাফসিরও কারাগারে আ’ট’ক রয়েছেন।

পু’লিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ বলেছেন, নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদে আম’রা অনেক তথ্য পেয়েছি। এসব যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি নেহা আ’দালতে দেওয়া জবানব’ন্দিতে বলেছেন, গত ২৮ জানুয়ারি আমা’র বন্ধু আরাফাতের নিমন্ত্রণে উত্তরার ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যাই। সেখানে গিয়ে আরো কয়েকজনকে দেখতে পাই। আমি আরাফাত ছাড়া অন্য কাউকে চিনতে পারিনি। সেখানে আমি ম’দপান করি। ৩ পেগ পান করার পর আমা’র মুখ দিয়ে র’ক্ত বের হয় এবং বমিও হয়। আমি তখন সেখান থেকে বাসায় চলে যাই। বাসায় যাওয়ার পরও আমা’র কয়েক দফা বমি হয়। এমন পরিস্থিতিতে আমি হাসপাতা’লে চিকিৎসা নেই। ওই ছা’ত্রী মা’রা যাওয়ার ঘটনায় করা ধ’র্ষণ ও হ’ত্যা মা’মলার সব আ’সামিকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। সব ফরেনসিক রিপোর্ট পেলে পু’লিশ মা’মলার চার্জশিট জমা দেবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News