1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি প্রবাসীরা -

মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি প্রবাসীরা

  • আপডেটঃ বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১২ বার পঠিত

 

মালয়েশিয়ায় দা’লাল সি’ন্ডিকে’টের দুই সদস্যকে আ’টক করেছে দেশটির ইমি’গ্রেশন পু’লিশ। ৭ ফেব্রুয়ারি পেনাংয়ে এক বিশেষ অভি’যানে তাদের আ’টক করা হয়। গত একমাস ধরে প্র’তার’কদের ধর’তে গো’য়েন্দা

সংস্থা অ’ভি’যান চা’লিয়ে আসছিল। অভি’যানে ৩১ বছর বয়সী মালয়েশিয়ান নাগরিক ও ৩৫ বছর বয়সী ভারতীয় নাগরিককে আ’টক করা হয়েছে। সি’ন্ডিকেটের এই দুই সদস্য বৈশ্বিক মহা’মা’রি ক’রো’নাভা’ইরা’সের

কারণে (পিকেপি) সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দেশটিতে থাকা অ’বৈধ অ’ভিবা’সীদের বৈ’ধতার আওতায় আনতে ‘রি’ক্যা’লিব্রেশন’ নামে একটি কর্মসূচি হাতে নেয়। এই রিক্যা’লিব্রেশন কর্মসূচির বিপরীতে কাজ করছিল সিন্ডিকেটের সদস্যরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অভি’যানের উদ্দেশ্য হলো অ’সহায় প্রবাসী’দের নিয়ে যেন সি’ন্ডিকেট অ’বৈধ ব্যব’সা করতে না পারে। দা’লাল’দের কারণে বিদেশি নাগরিকদের জন্য সর’কারের দেয়া বিভিন্ন সময় প্রোগ্রা’মগুলো সফল হয়নি।

এই সি’ন্ডি’কেটের কাজ হলো ইমি’গ্রে’শন অফিসের সঙ্গে সমন্নয় রেখে বিদেশি নাগরিকদের অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাইয়ে দেয়া। ইমিগ্রেশন কর্তৃক অ্যাপ’য়েন্টমেন্ট না করে অবৈধ উপায়ে ‘সিন্ডি’কেটের মাধ্যমে জনপ্রতি ১ হাজার থেকে শুরু করে ১৫শ রিঙ্গিতের বিনিময়ে কাজ করে দেয়া।

এই সিন্ডিকেটটি পেরলিস, কেদাহ, পেনাং, পেরাক, তেরেংগানু, কুয়ালালামপুর, জহুর বারুরাজ্যে সক্রিয়’ভাবে কাজ করে আসছিল। অভি’যা’নের সময় একটি হো’ন্ডা সিটি গাড়ি ত’ল্লা’শি করে নগদ ৪ হাজার রি’ঙ্গিতসহ তাদের আ’টক করা হয়। মাস্টা’রমাই’ন্ড সি’ন্ডিকেট সদস্যদের পাসপোর্ট আইন ১৯৯৬ ধারা (এফ) সেকশন ১২ (১) এর অধীনে অ’প’রা’ধে আ’টক করা হয়েছে।

দো’ষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কা’রাদ’ন্ড বা জ’রিমা’না বা উভয় দ’ন্ডে ‘দ’ন্ডি’ত হতে পারে। তাদেরকে ৭ দিনের রি’মা’ন্ডে নেয়া হয়েছে। ভারতীয় নাগরিকের বি’রু’দ্ধে আরো ত’দন্ত চলছে। এদিকে অ’বৈধদের বৈধতা প্রদানে রিক্যালি’ব্রেশন প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের জন্য সরকার কোনো মধ্যস্থতাকারী দালাল-এজেন্ট-এজেন্সি-নিয়োগ দেয়নি। সরকারের পরামর্শ হলো কোনো এ’জেন্ট-দা’লাল-এজে’ন্সি দারস্থ না হতে। দা’লা’লের সঙ্গে আর্থি’ক লেনদেন না করতে আবারও স’তর্ক করে দিয়েছেন দেশটির ইমি’গ্রেশন বিভাগের সংশ্লিষ্টরা। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, করোনা মহা’মারি কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলাচলের বা প্রবেশের বিধি-নি’ষেধের ফলে নতুন করে নিয়োগ থমকে গেছে।

সরকারগুলো নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেশি মনোযোগ দিয়েছে ফলে নিজ দেশে থাকা বিদেশিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার আওতায় আনার কৌ’শল নিয়েছে। ত’দ্রুপ মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা বিদেশি অ’বৈধ কর্মীদের বৈধ হবার রি’ক্যা’লিব্রেশন কর্মসূচি চালু করেছে যা ১ জানুয়ারি ২০২১ থেকে বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার, চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত। এ সুযোগ নিয়ে বৈ’ধভাবে অবস্থান করার জন্য যে ১৫টি দেশের নাগরিকদের অনুরোধ করেছে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস। এটি মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের এবং নিয়োগকর্তা’দের শৃ’ঙ্খলাজ’নিত করার জন্য সরকারের প্র’চেষ্টা। বৈধকরণ কর্মসূচির আও’তায় বৈধ হবার জন্য নির্দিষ্ট শর্ত ও যো’গ্যতা আরোপ করেছে যেমন বৈধ’ভাবে মালয়েশিয়ায় এসে ভিসায় উল্লিখিত নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করছে কিন্তু ভিসা রিনি’উ করেনি বা ওভার স্টে হয়েছে, নিজ নিজ কোম্পানিতে কাজ করেনি

এবং কো’ম্পানি থেকে পা’লি’য়ে গেছে। এ ধরনের অ’পরা’ধ সং’ঘ’টিত হতে হবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ এর মধ্যে। এরপর হলে হবে না। এর আগে ২০১৬ সালে রি-হি’য়ারিং নামে বৈধকরণ কর্মসূচি দিয়েছিল তার সঙ্গে রি’কেলিব্রেশন এর কিছুটা পার্থ’ক্য রয়েছে যা না বুঝলে প্র’তা’রিত হতে হবে। যেমন রি-হিয়ারিং এ নৌ, সাগর বা স্থলপথে অ’বৈ’ধভাবে অনুপ্রবেশ করেছিল তাদেরকেও বৈধতা দিয়েছিল। এবার সে সুযোগ নেই। সেবার বিভিন্ন ভিসাধারীদেরও সুযোগ দিয়েছিল এবার সুনির্দিষ্ট করে পি এক কে এস উল্লেখ করা হয়েছে এবং অবশ্যই বৈধভা’বে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করার প্রমাণ থাকতে হবে।

রি-হিয়ারিং এজন্য ভেন্ডর বা এজেন্ট ছিল এবার কোনো ভেন্ডর বা এজেন্ট নিয়োগ করেনি। গত রি-হিয়ারিংয়ে বৈধ হবার জন্য আবেদন করে প্রতা’রি’ত হবার মূল কারণ ছিল সেই সব এজেন্ট। ফলে এবার কোনো এ’জেন্ট নিয়োগ করেনি। এটি মালয়েশিয়া ইমি’গ্রেশন ও’য়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজে প্রচার করছে। এবার কো’ম্পানি বা নিয়োগকর্তা সরাসরি ইমি’গ্রেশনে কর্মীদের নাম জমা দিয়ে বৈধতার প্র’ক্রিয়া সম্পন্ন করবে। কোম্পানি নিয়োগ করতে পারবে কিনা তার যাচাই করবে লেবার ডিপার্টমেন্ট অর্থাৎ বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা না থাকলে নিয়োগ দেবার প্রতি’শ্রুতি দিয়ে অর্থ নিয়ে সরে পড়তে পারবে না। রিহা’য়ারিং এর সময় অনেক ভু’য়া ও অযোগ্য কোম্পানি বা নিয়োগকর্তা বৈধতা’র নামে প্র’তার’ণা করেছিল।

ফলে রি-হিয়ারিং কর্মসূচি শেষে হাজার হাজার কর্মীর প্র’তা’রিত ও নিঃ’স্ব হবার কান্না ও অভি’যোগ ছিল। অনেক প্র’তা’রক হাজার হাজার কর্মীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রাতারাতি কৌ’শলে বাংলাদেশে পালি’য়ে গিয়ে অবস্থান করে ফলে তাদের মালয়েশিয়া পু’লিশ খুঁজে পায়নি। যদিও হাইকমিশন থেকে স’তর্ক করে লিফলেট, টিভিসি এবং অন্যান্য প্রচার করেছিল, সংবাদ মিডিয়া নিয়মিত আপডেট প্রচার করে সতর্ক করেছিল। কিন্তু দা’লাল ও প্র’তা’রকদের চ’টক’দার কথা এবং কর্মীদের নিজেদের তথ্য গো’পন করার ফলে সহজেই প্র’তা’রিত হয়েছে। এবার এদের বৈধ করার জন্য স্পেশাল সুযোগ দেয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী এ ধরনের কাজে আর্থিক লেনদেন ফা’ইন্যা’ন্সিয়া’ল অ’প’রা’ধ প্রতারিত ব্যক্তি আইনের আশ্র’য় নিতে পারে, অনেকে মা’ম’লা করেছিল কিন্তু খোঁজ করে জানা গেছে সাক্ষী প্রমাণ না দেয়া বা বা’দীর অসহযো’গিতা থাকায় সুরাহা করতে পারেনি। তবে মাল’য়েশিয়ার সিস্টেম অনুযায়ী দীর্ঘ অনুসন্ধান করে এবং প্র’তার’কদের গ্রেফ’তার করছে বলে মিডিয়া সূত্রে জানা গেছে। ভিসা করে দেয়া প্র’ক্রি’য়ায় মালয়েশিয়ায় কর্মীরা বেশি প্র’তারি’ত হয়। এজন্য দা’লা’লদের বা এজে’ন্টের কাছে অর্থ ও পাসপোর্ট দিয়ে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নক’ল ভিসা বা রিপ্লেস’

মেন্ট ভিসা দিয়ে থাকে অর্থাৎ কোনো বিদেশি কর্মী খালি থাকলে সেখানে আরেকজন বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে থাকে। কিন্তু এই প্র’ক্রি’য়ায় খুব বেশি সংখ্যক নিয়োগ করার সুযোগ নাই। তবে একজন ভিসা পেলে অনেকেই সে সুযোগ নিতে টাকা ও পাসপোর্ট দিয়ে থাকে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব অব মালয়েশিয়ার সভাপতি মনির বিন আমজাদ বলেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী অ’বৈ’ধ হয় প্র’তার’ণার মাধ্যমে যেমন, বেশি বেতনের লোভ দেখিয়ে কর্মী ভা’গি’য়ে আনা, পরিচিত জনের কাছে শুনে বেশি আয়ের লো’ভে সেখানে চলে যাওয়া, কাজ পছ’ন্দ না হওয়ায় পা’লি’য়ে যাওয়া। তাই দেশ ছাড়ার আগেই কর্মীদের এসব বিষয়ে ক’ঠোর প্রশিক্ষণ দিতে হবে অন্তত ভালো’টা বুঝতে পারে।

তিনি বলেন, বেশি অ’ভিবা’সন ব্যয় তোলার জন্য বেশি আয়ের উপায় খুঁজে নিতে অ’বৈ’ধ হতে বাধ্য হয় তাই অভি’বা’সন ব্যয় সরকার নির্ধারিত পরিমাণ বাস্তবায়ন করতেই হবে। বেত’ন, ভাতা ও কাজ সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রচার করতে হবে। কেননা অনেকে বলে যে, কাজ ও বেতন দেবে বলে বলা হয়েছে সে কাজ ও বেতন দেয়া হয়নি। আসার পর মোহ থেকে বের হয়। এই মোহ দেশেই’ শুরু হয় তাই দেশেই এর প্রতী’কার করতে হবে। তাহলে বৈধ কর্মী অবৈ’ধ হবে না। দূতাবাস ইতোমধ্যে বিজ্ঞ’প্তি দিয়ে বাংলাদেশের বৈধ হতে প্রত্যাশীদের স’তর্ক করে দিয়েছে যেন কোনো এজেন্ট বা দা’লা’লের কাছে না যায়, আর্থিক’ লে’নদেন না করে। কোম্পানি সম্পর্কে জেনে নিতে দূতাবা’সে যোগাযোগ করতে অনু’রোধ করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News