1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
মালয়েশিয়া থেকে পাসপোর্ট রি-ইস্যু, সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে -
শিরোনাম
মোবাইলে থাকে সোনা, ফেলে দেওয়া পুরনো ফোন দিয়ে চলে কোটি টাকার কারবার সকল প্রবাসীদের জন্য দারুণ সুখবর দিলেন মন্ত্রী ইমরান আহমদ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, এই হিন্দু ভদ্রলোকটি সিলেট থেকে___ কলেজ ছাত্রকে তুলে এনে জোর করে বিয়ে করলো এক মেয়ে- ভিডিও মালয়েশিয়া থেকে পোড়া কপাল নিয়েই দেশে ফিরছেন তেরা মিয়া সিনেমার গল্পের মতোই রিয়াজ-তিনার প্রেমকাহিনী খুশি প্রবাসী বাংলাদেশীরাও, মালয়েশিয়ায় শতভাগ যাত্রী নিয়ে চলছে গণপরিবহন! ভাই আমাকে বলবেন, ৫০ হাজার লোক নিয়ে আসবো: ডা. মুরাদ দুঃসংবাদ দেশবাসীর জন্য: ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প বাতিল করেছে সরকার এবার বাংলাদেশ-ভারত ফ্লাইট বাড়িয়ে দ্বিগুণ হল

মালয়েশিয়া থেকে পাসপোর্ট রি-ইস্যু, সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে

  • আপডেটঃ রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৭ বার পঠিত

 

আসসালামু আলাইকুম। আজকে আলোচনা করব দালাল বা অন্য কারো সাহায্য ছাড়া কিভাবে নিজে নিজেই পাসপোর্ট রি-ইস্যু বা রিনিউ করবেন। শুরু থেকে নতুন পাসপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কাজ step by step খুব ভালোভাবে বোঝানো হবে যে কেউ পারবেন। ভিডিও আকারে দেখতে ইউটিউব এ ভিজিট করুন MBC Easy Life চ্যানেল। এছাড়া ভিডিওর লিংক পোষ্টের শেষে দেওয়া হবে।

প্রথমেই বলে রাখি একজন সাধারন প্রবাসীর পাসপোর্ট রি-ইস্যু/রিনিউ করতে ৪টি জিনিস প্রয়োজন।
ক. পাসপোর্ট রি ইস্যু ফরম।  খ. পুরাতন পাসপোর্ট এর ফটোকপি।  গ. ভিসা। (যদি ভিসা না থাকে কলিং পেপার/এমপ্লয়মেন্ট এগ্রিমেন্ট পেপার/স্যালারি স্লিপ) আপনি যে একজন সাধারন প্রবাসী তা প্রমাণ করার জন্য যেন কোঞ একটা ডকুমেন্ট অবশ্যই দেখানো লাগবে।  ঘ. ব্যাংক ডিপোজিট এর হলুদ স্লিপ।

(পুরো ভিডিওটিতে) কাজের ধাপগুলো সুন্দর ভাবে বোঝানোর সুবিধার্থে ভিডিওটি আমি তিনটি ভাগে ভাগ করে নিয়েছি।
১. প্রাথমিক কাজ।  ২. ব্যাংকিং।  ৩. কুরিয়ার করে ডকুমেন্ট হাই কমিশনে পাঠানো।

#ভাগ ১ প্রাথমিক কাজ।
প্রাথমিক কাজ এই তিনটি জিনিস আপনাকে ফটোকপি করে নিতে হবেঃ ক. পাসপোর্ট রি ইস্যু ফরম। খ. পুরাতন পাসপোর্ট এর ফটোকপি। গ. এবং ভিসার ফটোকপি।

পাসপোর্ট রিইস্যু ফর্মের জন্য প্রথমেই http://passport.gov.bd/Reports/MRP_Information_Alteration_Correction.pdf এই লিঙ্ক থেকে ফরম ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিবেন। যেকোনো ফটোকপির দোকানে প্রিন্ট করে নিতে পারবেন।‌ সাথে পুরাতন পাসপোর্ট বা অন্যান্য যা আছে ফটোকপি করে নিবেন। কপি করা হয়ে গেলে পুরাতন পাসপোর্ট দেখে দেখে পাসপোর্ট রিইস্যু ফরম পূরণ করবেন, কিভাবে পূরণ করবেন আমি একের পর এক সব দেখিয়ে দিচ্ছি ভালো ভাবে খেয়াল করুন। (ভিডিও দেখলে ভালো ভাবে বুঝবেন এখানেও আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি)

মিশনের নাম: Bangladesh High Commisson, Malaysia. আবেদনকারীর নাম বাংলায়: আপনার নাম বাংলা লিখবেন।আবেদনকারীর নাম ইংরেজিতে: আপনার নাম ইংরেজিতে লিখবেন। পাসপোর্ট নম্বর: এখানে আপনার পাসপোর্ট নম্বর দিবেন। মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ: যেটার কি আপনার পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হবে সেই তারিখটা বসাবেন। পাসপোর্ট প্রদানের তারিখ: যে তারিখে পাসপোর্ট বানিয়েছেন সে তারিখটা বসাবেন। ইস্যুর স্থান: DIP/Dhaka
পাসপোর্ট বিতরণের প্রকৃতি: সাধারণ টিক চিহ্ন দিবেন। ফির পরিমাণ: RM 116

ব্যাংক/মিশনের নাম: Maybank
শাখা: যে শাখা থেকে টাকা জমা দিয়েছেন শাখার নাম। রশিদ নম্বর: ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার স্লিপ থেকে রশিদ নম্বর বসাবেন। তারিখ: যে তারিখে টাকা জমা দিয়েছেন সেই তারিখটা বসাবেন।

*কোন তথ্য পরিবর্তন চাইলে পরিবর্তনের জায়গায় কি পরিবর্তন করতে চান উল্লেখ করে দিবেন।  তারিখ: জায়গায় জমা দেওয়ার তারিখ বসাবেন।  স্বাক্ষর: পাসপোর্টে যে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন একই স্বাক্ষর দেওয়ার চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার দিয়ে দিবেন। ফরম পূরণ করা হলে এখন আপনার বাকি কাজ হল ব্যাংক ডিপোজিট স্লিপ পূরণ করা, কিভাবে পূরণ করতে হবে দেখিয়ে দিব ভিডিওতে।

ভাগ ২ঃ  প্রাথমিক কাজ শেষ এবার দ্বিতীয় ভাগের কাজ দ্বিতীয়ভাগে বলেছিলাম ব্যাংকিং। এখন আপনার কাছের Maybank এর যে কোন শাখায় গিয়ে এ রকম একটি হলুদ ডিপোজিট স্লিপ খুঁজে নিবেন। তারপর নাম এর জায়গায় Bangladesh High Commisson, একাউন্ট লিখবেন 564427102268 ।  এমাউন্ট rm 116। এখানে tranjekson description এর জায়গায় আপনার নাম।

রেফারেন্স নাম্বারে লিখবেন আপনার পাসপোর্ট নম্বর। বাছ লেখার কাজ শেষ হলে কাউন্টারে জমা দিন। ব্যাংক কর্মকর্তা হয়তো আপনাকে নানা রকম প্রশ্ন করতে পারে অথবা বলতে পারে মেশিনের মাধ্যমে জমা দেওয়ার জন্য, আপনি শুধু বলবেন পাসপোর্ট রি-ইস্যুর জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনে ডিপোজিট করব হলুদ রিসিট লাগবে (Resit kunig/Yellow receipt) বাছ তারা বুঝে যাবে।

সব পূরণ হয়ে গেলে আপনার কাজ ৯০% কমপ্লিট। এভাবে চাইলে দশজনের টাও আপনি করতে পারেন। এজন্য যার যার ডকুমেন্ট আলাদা পিন মেরে আলাদা আলাদা খামে (sampul surat/envelop) ঢুকিয়ে নিবেন। সবগুলো কাজ করতে পারবেন এক ঘন্টার মধ্যেই।

ভাগ ৩ঃ  তারপর বাকি থাকল pos laju তে কুরিয়ার করা। ঠিক পরের ভিডিওতে আমি দেখাবো কিভাবে কুরিয়ার করতে হয়। একেবারেই সহজ ভাবে দেখাবো যে কেউ কুরিয়ার করতে পারবেন।

কুরিয়ার করা হয়ে গেলে হাইকমিশন হাতে পাওয়ার এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে, সর্বোচ্চ দুই মাস লাগতে পারে তারপর পাসপোর্ট অনলাইন করে দিবে। অনলাইনে কিভাবে চেক করবেন, এপয়েন্টমেন্ট কিভাবে নিতে হয়, পাসপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ বা step একের পর এক ভিডিও পাবেন এই চ্যানেলে তার জন্য পরবর্তী আপডেট গুলো অবশ্যই দেখা লাগবে। একসাথে সবগুলো প্রক্রিয়া দেখানো সম্ভব নয়। আমাদের সাথেই থাকুন বাকি পোস্ট গুলো পেয়ে যাবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News