1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
মালয়েশিয়ান ১৩ বছরের বাচ্চাকে কি'ডন্যা'প করে ধ'রা দুই বাংলাদেশী -
শিরোনাম
পরীমণির মত শাহরুখের বাড়িতেও এই মুহূর্তে চলছে তল্লাশি ব্রেকিং: মালয়েশিয়ায় অভিবাসন বিভাগের অভিযান, ১৭২ বাংলাদেশি গ্রেফতার অনেক প্রবাসী পাসপোর্ট নিয়ে অবহেলা করেন। অথচ এই পাসপোর্ট ছাড়া তার…. হাত জোর করে কি বলছেন সানি লিওন? তুমি আমার এমন একটি অংশ স্পর্শ করেছো যা এখন পর্যন্ত আর কেউ পারেনি : প্রভা দীপিকা এমনভাবে অনুরোধ করেছিলো না করতে পারিনি: তাহসান স্বামীর সঙ্গে পরকীয়া, তরুণীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা স্ত্রীর অবশেষে মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা গেল সৌদি আরবে পৌঁছার ২ ঘণ্টা পরেই সাইদুর রহমানের মৃ’ত্যু সৌদির জেদ্দায় অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য জরুরী খবর

মালয়েশিয়ান ১৩ বছরের বাচ্চাকে কি’ডন্যা’প করে ধ’রা দুই বাংলাদেশী

  • আপডেটঃ শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১
  • ১১ বার পঠিত

 

আজ মালয়েশিয়া পু’লিশ দুই বাংলাদেশিকে গ্রে’ফতার করেছে ১৩ বছরের বাচ্ছাকে কি’ডন্যা’প করার অ’পরাধে । গ্রে’ফতার করা হয়েছে বুকিত রাজা, ক্লাং রোডব্লক থেকে। আটক দুইজন বাংলাদেশী সেটা নিশ্চিত করেছেন মালয়েশিয়া পু’লিশ। তবে তাদের সম্পূর্ণ পরিচয় প্রকাশ হয়নি। আরও দেখুন নিচের ছবিতে…

 

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে ১০ এজেন্সি

দেশে ১ হাজার দুইশত এজেন্সি থাকলেও মাত্র ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সির সিন্ডিকেট মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ করেছে বায়রা সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট। সংগঠনটি বলছে, প্রত্যেক রিক্রুটিং এজেন্সি সরকারকে ১৮ লাখ টাকা করে লাইসেন্স ফি দিয়ে আসলেও সিন্ডিকেটের কারণে তারা কাজ করতে পারছে না।

ওই সিন্ডিকেট চক্রে রয়েছেন নূর আলী, এবিএম বদরুল আমিন, রুহুল আমিন (ক্যাথারসিস ইন্টা.), মোহাম্মদ বশির, গোলাম মোস্তফা, জয়নুল আবেদিন জাফর, আরিফ আলম, রুহুল আমিন (আমিন ট্যুর এন্ড ট্রাভেল), আরিফুল ইসলাম। ওই সিন্ডিকেট ভেঙে করে সকল রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফ্রন্টের সভাপতি ড. মোহাম্মদ ফারুক। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান টেলিভিশনের কর্ণধার হারুন-অর-রশিদ, গোলাম ফারুক, রেদওয়ান খান বোরহান, মোস্তফা মাহমুদ, সিরাজ মিয়া প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে ড. মোহাম্মদ ফারুক বলেন, এই সিন্ডিকেট বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে শ্রম বাজার নষ্ট করেছে। ২০১৬ সালে ১৫ লাখ জনশক্তি রপ্তানি করার কথা থাকলেও ২ লাখ ৭৪ হাজার জনশক্তি পাঠিয়েছে। কিন্তু ১২ লাখ লোকের মেডিকেল করেছিল।

মেডিকেলও করা হয়েছিল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রিত ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলোতে। এছাড়া সিন্ডিকেটের কারণে জনপ্রতি বিদেশ যাবার খরচও বেশি পড়েছিল। বর্তমানে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে। এই সিন্ডিকেট আবারও অপতৎপরতা শুরু করেছে যেন শ্রমবাজার খোলা হলে তারা সরকারকে ভুল বুঝিয়ে ফায়দা লুটতে পারে। হারুন-অর-রশিদ বলেন, ১ হাজার দুইশত এজেন্সি সরকারকে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ব্যবসা করছে।

অথচ কাউকে কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না। এই সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। কেউ খাবে কেউ খাবে না তা হবে না, তা হবে না। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সকল জায়গায় অভিযোগ দিয়েছি। আশা করি শ্রমবাজারের এই সিন্ডিকেট ভাঙবে এবং আগামীতে সকল এজেন্সি কাজ করার সুযোগ পাবে। রেদওয়ান খান বোরহান বলেন, লাইসেন্সের কোন শ্রেণী বিন্যাস নেই। অথচ কাউকে কাজ করতে দেয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, এই সিন্ডিকেট ভেঙে সকল রিক্রুটিং এজেন্সিতে কাজ করার সুযোগ দেয়া হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News