1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম, ভয়ানক বার্তা দিলেন খায়রুল দাযাইমি -
শিরোনাম
বিমানবন্দরে অতিরিক্ত ভিড়, আরব আমিরাতের ফ্লাইট নিয়ে নাজেহাল কর্তৃপক্ষ আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে দলীয় প্রার্থী দেবে নূর সবাই পাচ্ছেন মাই ট্রাভল পাস, সবাই মালয়েশিয়াতে প্রবেশ করতে পারবেন! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল পরীমণির ব্যাঙ্গচিত্র, ক্ষেপেছেন ভক্তরা প্লিজ সবাই শেয়ার করে প্রবাসীর লাশটিকে দ্রুত দেশে পাঠাতে সাহায্য করুন চেয়ারম্যানের নির্দেশ ছাড়া চুল কাটা যাবে না, ভোলায় বিজ্ঞপ্তি জারি মালয়েশিয়ায় কারা বৈধ হতে পারবে, কারা পারবেনা/লাল সিল,বৈধ হওয়া সম্পর্কে তথ্য আলহামদুলিল্লাহ্‌! ফের মালয়েশিয়ায় এসে পৌঁছালাম মালয়েশিয়ায় ফিরে যাওয়া প্রবাসীদের কোয়ারেন্টাইন খরচ বহন করবে নিয়োগকর্তা বাংলাদেশকে ১৫ টি ঘোড়া উপহার দিলো ভারত

তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম, ভয়ানক বার্তা দিলেন খায়রুল দাযাইমি

  • আপডেটঃ মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯ বার পঠিত

 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত যৌ’ন কর্মীরা মালয়েশিয়াকে পতিতাবৃত্তির নিরাপদ আশ্রয় স্থল হিসাবে বেছে নিয়েছে। তারমধ্যে বাংলাদেশের নাম ও উঠে এসেছে তালিকায়।

মালয়েশিয়ার জাতীয় পএিকা ” সিনার হারিয়ান ” এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য। সিনার হারিয়ানের বিশেষ সাক্ষাৎকারে ” মালয়েশিয়া কেন যৌ’নকর্মীদের পছন্দ ” এক প্রশ্নের জবাবে, মালয়েশিয়া অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সেরি খায়রুল দাযাইমি বলেন, বিভিন্ন দেশ থেকে আগত হাজার হাজার যৌ’ন কর্মীরা মালয়েশিয়ায়দের ছএ ছায়ায় নিরাপদে আয় করতে পারে বেশি।

এটা বোঝা যায় যে, দেশের চাহিদাহীন পুরুষদের যৌন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে উচ্চ বা অতিরিক্ত চাহিদা ও একটি কারণ। একজন যৌ’ন কর্মীর দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ শত রিঙ্গিত আয় আছে। ভাল সার্ভিসের টিপস্ ও পায়। গড়ে প্রতিমাসে একজন যৌন কর্মীর আয় ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার রিঙ্গিত। ( যাহা বাংলাদেশের মূদ্রায় ১ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা আয় আছে তাদের) ।

এটি স্বাভাবিক আয়, যদি সুন্দর চেহারা ও আকর্ষণীয় অল্প বয়সের হয় তাহলে তাদের ডিমান্ড ও বেশি। খায়রুল দাযাইমির মতে,এই পতিতাবৃত্তির সিন্ডিকেটের ও নিজেস্ব শ্রেনি রয়েছে। বিভিন্ন অভিযানে আটকৃতদের সাক্ষাৎকার ও পরিচালিত তদন্তের উপর ভিত্তি করে জানা যায়, এ শ্রেণির যৌন কর্মীদের দৈনিক আয় ৭ শত থেকে ৮ শত রিঙ্গিত। প্রতিমাসে গড়ে তাদের আয় ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজার রিঙ্গিত। ( যাহা বাংলাদেশের মূদ্রায় আড়াই লক্ষ থেকে ৩ লক্ষ টাকার উপরে ) আয়।

আমরা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি, তদন্তের উপর ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছি এবং পতিতাবৃত্তির সাথে সংপৃক্ত সকল বিদেশি নারী কর্মীদের আটক করছি এবং দেশে ফেরত পাঠাচ্ছি। স্পষ্টতই দেশে পতিতাবৃত্তির সিন্ডিকেট গুলো আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের চেয়ে বেশি স্থানীয় প্রকৃতির।

আমরা যে কয়টি অভিযান পরিচালনা করেছি তা থেকে এটা প্রমাণিত হয়েছে। চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে গত ৫ ই আগষ্ট পযন্ত ৩৯ টি অভিযান পরিচালনা করেছি। বিভিন্ন বিউটি পার্লার, মেসেজ সেন্টার থেকে ৮৯ জন বিদেশি নাগরিক আটক , ও ১২ জন নিয়োগকর্তা বা মালিক কে জেলে পেরণ করেছি। তিনি আরো বলনে, ২০২০ সালে পরিচালিত ২৫৩ টি অভিযানে বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র, মদের বার, মেসেজ পার্লার, বিউটি পার্লার, হোটেলে থেকে ১,১৯৭ জন বিদেশি নাগরিক ও ৭৩ জন নিয়োগকর্তা বা মালিককে আটক করেছি। অধিকাংশ চীনা, এশিয়ান মহিলারা বিশেষ করে চীন থেকে আগত পতিতাবৃত্তির সাথে জরিত থাকার জন্য গ্রেফতারকৃতদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে.

গ্রাহকদের কারণে, বিশেষ করে স্থানীয়দের কারণে থাইল্যান্ড, ইন্দোরনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং ফিলিপাইন এর নারীরা ও এই যৌন কর্মীদের তালিকায় শীর্ষের পরে অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে অল্প সংখ্যক নারীও রয়েছেন, কিন্তুু তারা শুধুমাত্র তাদের স্বদেশীদের যৌন সেবা প্রদান করে থাকে আটক হওয়ার পর জিজ্ঞেসাবাদে জানিয়েছে।

পতিতাবৃত্তির প্রভাব, মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের দেশে প্রবেশকারী বিদেশিদের মধ্যে পতিতাবৃত্তি শনাক্ত করার নিজেস্ব পদ্ধতি রয়েছে। খায়রুল দাযাইমি বলেন, পতিতাবৃত্তির সিন্ডিকেটের সাথে জরিত বিদেশি নারীরা বেশিরভাগই সামাজিক ভিজিট পাস বা ট্যুরিস্ট পাস ব্যবহার করে আইনগত ভাবে মালয়েশিয়া প্রবেশ করে । ট্যুরিস্ট পাসের মাধ্যমে তাদের ৩০ দিনের জন্য দেশে থাকার অনুমতি থাকে এবং সেই সময়কালে তারা যৌন কার্যকলাপের সুযোগ নেই।

তদন্তে আরও দেখা গেছে যে, পতিতাবৃত্তির সাথে জরিত বিদেশিরা পর্যাপ্ত শর্ত সহ বিমানবন্দর বা সমুদ্রের টার্মিনালে দেশের যেকোন প্রবেশদ্বারে দিয়ে প্রবেশ করে যে কোন মূল্যে। অভিবাসন বিভাগের আইন অনুযায়ী কোন টুরিস্ট দেশে প্রবেশ করার সময় শুধু অভিবাসন নথি সহ সমস্ত দিক পরীক্ষা করবে। দেশে থাকা কালীন পর্যাপ্ত টাকা আছে কিনা এবং থাকার জন্য বাসস্থান ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করা হয়। সমীক্ষায় দেখা যায়, যারা যৌন কর্মী তারা টুরিস্ট হিসাবে ১ মাস বা ২ মাস থেকে নিয়ম মেনে নিদিষ্ট সময়ের ৫/৬ দিন আগে নিজ দেশে ফেরত চলে যায়। তারপর আবার কিছুদিন পর পুনরায় টুরিস্ট হিসাবে মালয়েশিয়া প্রবেশ করে।

আবার যৌন ব্যবসা করে চলে যায়। এভাবেই চলতে থাকে। খায়রুল দাযাইমি বলেন, কয়েকজন বিদেশি যৌন কর্মী নারীকে আটক করার পর আমাদের কাছে জবানবন্দি দিয়েছে নারী পাচারের শিকার হয়েছে। তারা যে নারী পাচারের শিকার হয়েছে তা প্রমাণ করা কঠিন কারণ তারা অবাধে চলাফেরা করে। তারা যেখানে কাজ করে সেখানে বাহিরে অবাধে চলাফেরা করছে, শপিং করছে, খাবার খাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দেশে এমন কিছু সিন্ডিকেট সদস্য আছে যারা এই যৌন কর্মীদের দেখাশোনা করে, খাবার, পানীয়, অর্থ, আশ্রয় দিয়ে থাকে। তারা বলছে তারা ভিকটিম তা প্রমান করা কঠিন।

জিজ্ঞেসাবাদে তারা বন্ধুদের সাথে বিনোদন বা সঙ্গ দেওয়ার অজুহাত দেখায়। খায়রুল দাযাইমি বলেন, আমরা অভিযান পরিচালনা করার সময় আমাদের অভিযান ব্যর্থ বা বিলম্ব করতে সিন্ডিকেট বিভিন্ন প্রচেষ্টা ব্যবহার করে। আমরা যা সনাক্ত করেছি তার মধ্যে হল এই বিদেশি যৌন কর্মীদের সুরক্ষা করার জন্য গোপন কক্ষ তৈরি করে রাখে। কিছু কিছু নিয়োগকর্তা বা মালিক আমাদের বাধা দিয়ে যৌন কর্মীদের পালাতে সহযোগিতা করে।

আটকৃত বিদেশি নাগরিক ও পতিতাবৃত্তির সাথে জরিত তাদের আইনের ধারা ১৬ ( ১ ) [ গ ], ১৫ (১) [ গ ] অভিবাস আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৫৬ (১) ধারা [১] এবং রেগুলেশন ৩৯ এর অধীনে তদন্ত করা হবে ( খ ) , অভিবাস বিধি ১৯৬৩ এবং দেশে প্রবেশ থেকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। আমাদের এই অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে। যৌন ব্যবসার সাথে জরিত সবাই কে আমরা আটক করব এবং দেশের আইন অনুযায়ী তাদের সাজা দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News