1. admin@spicynews24.com : admin :
  2. nfjsduwdwdyu@gmail.com : mk tr : mk tr
পরোপকার করতে গিয়ে আবুল বাশার এখন সৌদি আরবের জেলে -
শিরোনাম
পরীমণির মত শাহরুখের বাড়িতেও এই মুহূর্তে চলছে তল্লাশি ব্রেকিং: মালয়েশিয়ায় অভিবাসন বিভাগের অভিযান, ১৭২ বাংলাদেশি গ্রেফতার অনেক প্রবাসী পাসপোর্ট নিয়ে অবহেলা করেন। অথচ এই পাসপোর্ট ছাড়া তার…. হাত জোর করে কি বলছেন সানি লিওন? তুমি আমার এমন একটি অংশ স্পর্শ করেছো যা এখন পর্যন্ত আর কেউ পারেনি : প্রভা দীপিকা এমনভাবে অনুরোধ করেছিলো না করতে পারিনি: তাহসান স্বামীর সঙ্গে পরকীয়া, তরুণীকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা স্ত্রীর অবশেষে মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা ব্যক্তির নাম পরিচয় জানা গেল সৌদি আরবে পৌঁছার ২ ঘণ্টা পরেই সাইদুর রহমানের মৃ’ত্যু সৌদির জেদ্দায় অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য জরুরী খবর

পরোপকার করতে গিয়ে আবুল বাশার এখন সৌদি আরবের জেলে

  • আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০ বার পঠিত

 

বরিশালের মো. আবুল বাশার এখন সৌদি আরবের জেলে। এ বছর ১২ মার্চ ঢাকা থেকে সৌদি আরব যান তিনি। ঢাকায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশিতে ধরা না পড়লেও সৌদি বিমানবন্দরে তার ব্যাগে ইয়াবা পাওয়া যায়। এ কারণে তাকে জেলে পাঠানো হয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়লেও তাকে জেলে যেতো হতো। অভিযোগ রয়েছে, এই ইয়াবা চালানের নেপথ্যে বিমানবন্দরের এক কর্মী।

ওই কর্মী ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে আচার বলে যাত্রীর ব্যাগে ইয়াবা ঢুকিয়ে দেন। ভিডিও ফুটেজে যার প্রমাণও মিলেছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের আইন সহায়তা না পেলে ইয়াবা চোরাচালানের দায়ে সৌদি আরবে কঠোর শাস্তি ভোগ করত হবে ভুক্তভোগী আবুল বাশারকে। জানা গেছে, সৌদি আরব থেকে ছুটিতে গত বছর ১২ ডিসেম্বর দেশে আসেন আবুল বাশার।

ছুটি শেষে কাজে ফিরতে এ বছর মার্চের ১২ তারিখ আবুল বাশার সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে সৌদি যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে আসেন। রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ৪ নম্বর গেট দিয়ে বিমানবন্দরে ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। বোর্ডিংয়ের জন্য লাইনে দাঁড়ালে তাকে এক ব্যক্তি একটি প্যাকেট নেওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে অপরিচিত ব্যক্তির প্যাকেট নিতে অস্বীকৃতি জানান বাশার। ওই ব্যক্তি বারবার অনুরোধ করলেও প্যাকেটটি নিতে রাজি হননি তিনি।

একপর্যায়ে সেই ব্যক্তি নিজেকে বিমানের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে আবুল বাশারকে ভয়ভীতি দেখানো শুরু করেন। এই প্যাকেট না নিলে তাকে ফ্লাইটে উঠতে দেবেন না বলে ভয় দেখানো হয়। তাতেও প্যাকেটটি নিতে রাজি ছিলেন না আবুল বাশার। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি নিজেই জোর করে বাশারের ব্যাগে প্যাকেটটি ঢুকিয়ে দেয়। প্যাকেটে কিছু আচার ও খাবার আছে, যা সৌদিতে অবস্থানরত তার ভাই মো. সাইদ গ্রহণ করবে বলে তাকে জানানো হয়।

সময় হওয়ায় কারও কাছে কোনও অভিযোগ না দিয়ে আবুল বাশার ফ্লাইটে উঠে পড়েন। কিন্তু সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর তার ব্যাগের সেই প্যাকেট থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তারপর আবুল বাশারকে জেলে পাঠানো হয়। জেলে যাওয়ার প্রায় ২০ দিন পর সেখান থেকে ফোন করে স্ত্রী রাবেয়াকে ঘটনা জানায় আবুল বাশার। এ বিষয়ে রাবেয়া বলেন, আমার স্বামী সৌদি যাওয়ার পর ১২ মার্চ দুপুরে একটি নাম্বার থেকে ফোন আসে। জানতে চাওয়া হয় সৌদিতে তার স্বামী ব্যাগটি পৌঁছে দিয়েছে কিনা। কিন্তু আমার স্বামীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না।

তিনি সৌদিতে গিয়েও যোগাযোগ না করায় আমরা চিন্তায় পড়ে যাই। তখন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে জানিয়েছিলাম তার বিষয়ে খোঁজ নিতে। এরপরই আমার স্বামী ফোন করে জানায় সে জেলে। গত ১৩ এপ্রিল রাবেয়া বিমানবন্দরে আর্মড পুলিশের অফিসে গিয়ে অভিযোগ দেন। এ অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ। সেদিনের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনার সত্যতা পায় বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ। সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়, যিনি বিমানবন্দরের পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান একে ট্রেডার্সের এসআর সুপারভাইজার নুর মোহাম্মদ। ১৪ এপ্রিল দুপুরে নুর মোহাম্মদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। এ ঘটনায় বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ একটি মামলা করে তাকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করে। এ বিষয়ে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা এক ব্যক্তিকে আটক করি, যিনি আবুল বাশারকে ইয়াবা বহনে বাধ্য করেছিলেন। মামলা করে আসামি নুর মোহাম্মদকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। জিয়াউল হক বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সৌদি আরবে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসির মাধ্যমে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।

প্রয়োজনীয় তথ্যাদি পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে কাজ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে সৌদি আরবের জেলে বিচারের অপেক্ষায় আবুল বাশার। যেকোনও সময় সৌদি আরবের বিচারে শাস্তি হতে পারে তার। আবুল বাশারের স্ত্রী রাবেয়া বলেন, আমার স্বামী অপরাধ না করেই জেল খাটছে। এখন সরকার যদি সাহায্য না করে তাহলে কীভাবে ছাড়িয়ে আনবো। আমরা খারাপ সময় পার করছি। স্বামী জেলে, এদিকে এক মেয়েকে নিয়ে আমি হিমশিম খাচ্ছি। সংসার চালাতে একটা চাকরি খুঁজছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ধরনের আরও খবর পড়ুন
© 2021 | All rights reserved by Spicy News
Customized BY Spicy News