Sun. Dec 5th, 2021

 

ফ্লাইট থেকে নেমে ইমিগ্রেশন করার পর বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহ করেন যাত্রীরা। এরপর আপনাকে যেতে হবে কাস্টম জোনে। সেখানে রেড চ্যানলে ও গ্রীন চ্যানেল আছে। যাদের কাছে কোনো ধরনের শুল্ক পরিশোধযোগ্য পণ্য/আইটেম নেই গ্রিন চ্যানেলের মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে বের হবেন।

অন্যদিকে যাদের কাছে শুল্কযোগ্য মালামাল/পণ্য থাকবে তারা সরাসরি চলে যাবেন রেড চ্যানেলে। সেখানে ঘোষণা দেবেন কী কী মালামাল আছে। তখন কাস্টমস কর্মকর্তা ওই মালের শুল্ক কত টাকা সেটি জানিয়ে দিবে। বিমানবন্দরের ভেতরে ব্যাংকে গিয়ে শুল্কের টাকা পরিশোধ করে লাগেজ নিয়ে চলে যাবেন।

আপনি গ্রীন চ্যানলে দিয়ে বের হচ্ছেন কিন্তু তল্লাশিতে ধরা পড়লো আপনি শুল্ক পরিশোধযোগ্য পণ্য নিয়ে যাচ্ছেন, তখন আপনাকে শুল্ক পরিশোধ করতেই হবে। সাথে জরিমানাও দিতে হবে। নির্ধারিত পরিমানের বেশি, আমদানীর অনুমতি নেই এমন কিছু আনলে কাস্টম সেই মালামাল আটক করবে।

অন্যদিকে শুল্ক পরিশোধ যোগ্য পণ্য থাকার পরও শুল্ক না দিলে কাস্টম সাময়িক ভাবে আটক করবে। পরবর্তীতে শুল্ক পরিশোধ করে সেই মালামাল ফেরত পাবে। আপনার কাছে থেকে যে কারণেই হোক কাস্টমস কোন পণ্য আটক করলে আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। সেখানে লিখিত থাকবে কি পণ্য, কি পরিমানে আটক করা হয়েছে।

এটি প্রমাণপত্র যে আপনার কাছ থেকে কোন কিছু আটক করা হয়েছে। কাস্টমসে আপনার কাছ থেকে কোন কিছু আটক করলে আটক রশিদ (Detention Memo) দিতে বাধ্য। একই সাথে কাস্টমের শুল্ক পরিশোধ করতে হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। কাউকে নগদ অর্থ দিবেন না। কেউ অনৈতিক ভাবে টাকা দাবি করলে এবং কোন কিছু আটক করার পর আটক রশিদ (Detention Memo) না দিলে- অবশ্যই বিমানবনন্দর কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *