Wed. Jan 26th, 2022

 

কামরাঙ্গীরচরে বাসি’ন্দা ২৯ বছর বয়সী মো. আব্দুল মান্নান। দীর্ঘদিন নারী পরিচয়ে করিবাজি করে আসছিলেন কামরাঙ্গীরচরের খলিফা ঘাট এলাকায়। দেড় বছর এক কিশোরীক নি’র্যাত’ন করার পরে বেরিয়ে আসে আসল ঘটনা। নি’র্যাত’নের বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা মা’মলা করলে গ্রে’ফতার করা হয় আব্দুল মান্নানকে।

মাম’লা সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরর মা নি’র্যাত’নের অ’ভিযো’গে চলতি বছরের ১৫ই জুলাই মা’মলা দা’য়ের করেন কামরাঙ্গীরচর থানায়। দীর্ঘদিন ধরে তারা নূরবাগ পুরাতন পুলিশ ফাঁ’ড়ির পেছনে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। হঠাৎ একদিন কিশোরীর নানী মা’রা যাওয়ার পর কিশোরগঞ্জে লা’শ দেখে সে ভ’য় পায়।

এরপর থেকে তার আচারণ ছিল অ’স্বাভাবিক। ঢাকায় আসার পরে ওই কিশোরীকে আব্দুল মোতালেবের ছেলে আব্দুল মান্নানের কাছে নিয়ে যাই। যদিও আগে থেকেই মাম’লার বাদি মান্নাকে নারী হিসেবে জানতেন। এমনকি প্রতিবেশিরাও তাকে নারী বলে পরিচয় করিয়ে দেন। ভ’ন্ড কবিরাজ জানায় কিশোরীকে জি’নে ধরেছে।

জিন ছাড়াতে হলে প্রতি মঙ্গলবার রাতে কিশোরীকে তার কাছে রেখে যাওয়ার কথা বলেন। মান্নানের এমন কথায় ওই কিশোরীকে সেখানে রেখে চলে আসেন ভু’ক্তভো’গী পরিবারের সদস্যরা। পরের দিন সকালে কিশোরীর শরিরে আঁ’চড়ে’র দা’গ দেখা গেলে রাতে জি’নে আঁচ’ড় দিয়েছে বলে জানানো হয়। এভাবে দেড় বছর কিশোরীকে নি’র্যাত’ন করা হয়। এরই মাঝে কিশোরীকে মা বলে স’ন্বো’ধ’ন করতে বলা হয়। এভাবে তাদের মধ্যে পারিবারিক সম্প’র্ক গ’ড়ে ওঠে।

চলতি বছরের জুন মাসে ওই কিশোরীকে বিয়ের জন্য সিলেটে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তারা সবাই মিলে একটি হোটেলে ওঠেন। ওই হোটেলে তাকে শারী’রিকভা’বে নি’র্যাত’নের চেষ্টা করলে বিষয়টি তার বোন মু’ক্তা টে’র পেয়ে যান। অভি’যোগটি অনুসন্ধান শেষে মাম’লা হিসেবে ন’থিভু’ক্ত করে পুলিশ। পরে তাকে গ্রে’প্তার করে আ’দালতে পা’ঠানো হয় বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

মাম’লার তদন্ত কর্মকর্তা কামরাঙ্গীরচর থানার ইন্সপেক্টর সিকদার মহিতুল আলম। ভ’ন্ড এই কবিরাজ এখন নিজেকে তৃতীয় লি’ঙ্গের মানুষ দা’বি করছেন। অথচ এর আগে সে পুরুষ দা’বি করে ওই কিশোরীকে বিয়ে করেছে বলে অভি’যোগ নিয়ে থানায় আসেন। সে সময় তাকে পুরুষের মতোই পোশাকে দেখা গেছে। এখন দ্রুতই লি’ঙ্গ নির্ধারনের পরীক্ষা শেষে মা’মলার চার্জশিট দেওয়া হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published.