Sat. May 28th, 2022

 

নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই বিশাল নির্বাচনী শোডাউন করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার। বুধবার সকালে শহরের খানপুর হাসপাতাল এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন তিনি।

এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এসএম আকরাম, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরসহ জেলা ও মহানগরে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা কর্মীরা।

তৈমূর আলম খন্দকারের নির্বাচন সমন্বয়ক মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল জানান, কোভিডের ওমিক্রন সংক্রমণ বাড়তে থাকায় একদিন আগেই আমাদের হাতি মার্কার সর্বশেষ শোডাউনের আয়োজন করেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার।

বৃহস্পতিবার এই শোডাউন হওয়ার কথা ছিল। স্বল্প সময়ের নোটিশেই বিশাল শোডাউন করে নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ দেন তৈমূর। বুধবার সকাল থেকেই তৈমূর আলমের নেতা-কর্মী সমর্থকেরা নগরের খানপুর হাসপাতালের সামনে সড়কে জড়ো হতে থাকেন। পথে পথে তৈমূরকে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করে নেয় অনেকেই।

তৈমূরও হাত নেড়ে ভোটারদের কাছ ভোট চান। নগরের ফুটপাতে থাকা ভোটাররাও পাল্টা হাত নেড়ে তৈমূরকে সমর্থন জানান। নগরীর মেট্রোহল এলাকায় বুধবার দুপুরে তৈমুরের নির্বাচনি প্রচারণায় যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন শিল্পী আসিফ আকবর। এ সময় তিনি বলেন, ১৬ তারিখ অ্যাডভোকেড তৈমুর আলম খন্দকারকে হাতি মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

সেই সঙ্গে এই লুটেরা, দুর্নীতিবাজ, ভোটচোর সরকারের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে তাতে সামিল হবে। তিনি বলেন, হাতি মার্কার বিজয়ের মধ্য দিয়ে সরকারকে বার্তা দিতে হবে যে আগামী নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে করা যাবে না। ১৬ তারিখ সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন। ভোটকেন্দ্র পাহারা দিবেন এবং ভোট গণনা পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। জনগণের যে জোয়ার উঠেছে তাতে তৈমুর আলম খন্দকার ভাইয়ের বিজয় নিশ্চিত।

নারায়ণগঞ্জবাসীকে উদ্দেশ্য করে আসিফ আকবর বলেন, আপনারা ঐতিহ্যবাহী শহরের বাসিন্দা। তৈমুর ভাইকে বিজয়ী করে জুলুমবাজ, জালিম সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সূচনা হবে। ইনশাআল্লাহ জনগণ তার ভোটাধিকার ফিরে পাবে এবং জনগণের বিজয় হবে। তৈমূর আলম বলেন, বিগত ১৮ বছরের না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই এই নগরীর মানুষ আমাকে ভোট দেবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা নারায়ণগঞ্জের সচেতন জনগণ, যারা শহরকে নিয়ে ভাবেন, এই ১৮ বছরের ক্ষোভ থেকে যারা অবসান চান তারা সবাই আন্তরিকভাবেই এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। আমি আশা করব নির্বাচন কমিশন জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে কাজ করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেবে। নির্বাচনে যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে। জনগণ যেন ভোট দিতে পারে এবং কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং যেন না হয় সে জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.