Wed. Jan 26th, 2022

 

বেগম জিয়ার পর বিএনপি নেতৃত্ব কে নিবেন এটি মো’টামু’টি নিশ্চিত ছিলো। কিন্তু এখন হঠাৎ করেই এই নেতৃত্ব নিয়ে নতুন সং’ক’ট দেখা দিয়েছে। খালেদা জিয়া যেকোনো সময় সৈয়দা শর্মিলা রহমানকে তার

উত্তরা’ধিকারী’ হিসেবে মনোনয়ন দিতে পারেন বলে বিএনপিতে গু’ঞ্জ’ন ছড়িয়ে পড়েছে। আর এটি বিএনপির মধ্যে নতুন সং’ক’ট তৈরি করবে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। গত প্রায় দেড় মাস ধরে শর্মিলা ঢাকায়

অবস্থান করছেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সমস্ত তদারকি তিনি করছেন। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে শর্মিলাই বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে কাছের মানুষ। আর এটির পিছনে মানবি’ক’তার চেয়ে ব্যক্তিগত কিছু স্বা’র্থ জড়িত রয়েছে বলে বিএনপির কোনো কোনো মহ’ল দাবি করছেন।

বেগম খালেদা জিয়াও শর্মিলার ওপর অনেকখানি নির্ভ’রশী’ল হয়ে পড়েছেন। এখন বেগম জিয়া সি’সিই’উ থেকে কে’বিনে এসেছেন, তিনি খুব একটা কথা বলছেন না। কিন্তু টুকটাক যে কথাগুলো বলছেন সে কথাগুলো শুধু শর্মিলার সঙ্গেই বলছেন। আর এই সমস্ত ঘটনার ফলে বিএনপিতে এখন গুঞ্জ’ন ছড়িয়ে পড়েছে যে,

কে বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার এবং সেখানে শর্মিলার নামটি আসছে। বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানই খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার এটা মোটামুটি সকলেরই জানা ছিলো। বিশেষ করে ২০০১ সালের নির্বাচনের পর বিএনপির রাজনীতিতে তারেক জিয়াই সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি’ত্বে পরিণত হন।

এমনকি হাওয়া ভবনের মাধ্যমে তারেক জিয়া একটি সমান্ত’রাল সরকার গঠন করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া অনেকটাই পুতুলের ভূমিকায় অব’তীর্ণ হয়েছিলেন। বেগম খালেদা জিয়ার কোন সিদ্ধা’ন্তই বাস্তবায়ন হতো না তারেকের সম্ম’তি ছাড়া। এরকম একটি অবস্থার মধ্যে ওয়ান-ইলেভেন আসে এবং ওয়ান-ইলেভেনের সময় তারেক জিয়াকে গ্রে’প্তা’র” করা হয়

এবং এক পর্যায়ে তারেক জিয়া মু’চ’লে’কা দিয়ে যুক্ত’রাজ্যে’ চলে যান। যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পর কিছুদিন বেগম খালেদা জিয়া একাই বিএনপি চালিয়েছেন কিন্তু তারপর আবার তারেক জিয়া বিএনপির বিভিন্ন বিষয়ে নাক গ’লাতে শুরু করেন। এখানেই বেগম জিয়ার সঙ্গে তারেকের প্রথম দ্বৈ’রথ শুরু হয়। এছাড়া আর্থিক বিষয়’গুলো তাদের বি’রো’ধের আরেকটি বড় কারণ বলে বিভিন্ন মহ’ল মনে করছেন।

এই পরিস্থিতিতেই ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া গ্রে’ফ’তা’র হন। বেগম খালেদা জিয়া গ্রে’প্তা’র হওয়ার পর শর্মিলা সিঁথি একাধিকবার বাংলাদেশে আসেন এবং বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যান। বেগম খালেদা জিয়া যখন বিএসএম’এম’ইউতে ভর্তি হন তখন শর্মিলা আবার ছুটে এসে বেগম খালেদা জিয়ার দেখভাল করেন।

এটি বেগম খালেদা জিয়াকে অনেকটাই ‘দুর্ব’ল করে তুলে। তাছাড়া তার ছোট ছেলে কোকোর অকাল মৃ’ত্যু’র পর তার দুটি বাচ্চার কি হবে এসব বিষয় বিবেচনা করে তারেক জিয়ার বদলে শর্মিলার প্রতি পক্ষ’পাত’পূর্ণ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া। সাম্প্রতিক সময়ে এই বিরোধে আরো প্রক’ট আ’কার ধারণ করেছে। বিশেষ করে এখন যখন বেগম খালেদা জিয়া অনেক বেশি অ’সু’স্থ ছিলেন তখন তিনি আশা করেছিলেন যে, অন্তত জো’বায়দা ঢাকায় আসবেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার তদারকি করবেন। কিন্তু জোবায়দা আসেননি। অথচ শর্মিলা এসেছেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সমস্ত বিষয়ের দেখভাল করছেন।

চিকিৎসার বিষয়ের পাশাপাশি শর্মিলা এখন বিএনপির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত প্রক্রি’য়াতেও হ’স্তক্ষে’প করছেন বলে বিভিন্ন মহল জানিয়েছেন। এমনকি তিনি বেগম জিয়ার ঘনি’ষ্ঠ যারা ছিলো তাদের সঙ্গে নি’য়মিত যোগাযোগ করছেন, কথা বলছেন এবং তাদে’রকে বি’ভিন্ন রকম নির্দেশনা দিচ্ছেন। আর এই সমস্ত সিনিয়র নেতারা তারেক জিয়ার চেয়ে শর্মি’লার সাথে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। আর এ কারণেই বিএন’পিতে যেকোনো সময় একটি নাট’কীয় ঘটনা ঘটতে পারে। যেকোনো সময় শর্মিলা বিএনপির প্রধান নেতা হিসেবে আ’বির্ভূত হতে পারেন বলেও বিভিন্ন মহল আ’শংকা প্রকাশ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.