Breaking News
Home / প্রবাসী খবর / আপনি কি ছুটিতে দেশে আসার কথা ভাবছেন ? তাহলে একবার ভাবুন।

আপনি কি ছুটিতে দেশে আসার কথা ভাবছেন ? তাহলে একবার ভাবুন।

 

পুরো বিশ্ব স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নেই, করোনা মহামারির কারণে সারা বিশ্বে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নানা রকম বিধি নিষেধ আছে। আবার কখনও কখনও নিষেধাজ্ঞার কারণে এক দেশে থেকে অন্য দেশে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আবারও কোন কোন দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কর্মী ছাটাই করছে।

এমনিতেই প্রবাসীরা পরিবার পরিজন থেকে দূরে থাকেন। চাইলেই ছুটি নিয়ে যখন তখন দেশে আসতে পারেন না। পরিবারে কেউ জন্ম নিলে কিংবা কেউ মারা গেলে দেখার সুযোগ হয় না। পরিবারের বিশেষ মুহুর্তে কাছে না থাকার যন্ত্রনা বয়ে বেড়ান প্রত্যেক প্রবাসী।

তাই প্রিয়জনের কাছে যাওয়ার ব্যাকুলতা তাদের বেশি থাকবে এটাই খুব স্বাভাবিক। প্রিয় প্রবাসী, করোনা মহামারির কারণে যেহেতু আমরা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নেই, তাই আরও সর্তক থাকতে হবে। এ মুহুর্তে আবেগী হলে কর্ম জীবনে নেমে আসতে পারে অন্ধকার।

গত দেড় বছরে কমপক্ষে ১ লাখের বেশি প্রবাসী ছুটিতে এসে আটকা পড়ে আছেন। অনেকের ক্ষেত্রে হয়ত আর কোন দিনই যাওয়া সম্ভব হবে না। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, খুব বেশি জরুরি প্রয়োজন না হলে দেশ না আসার জন্য। আপনি হয়ত অবাক হয়ে ভাবছেন, কেন বলা হচ্ছে? আপনি আপনার দেশে আসবেন, তাতে কার কী?

বলা হচ্ছে, আপনার ভবিষৎ এর কথা চিন্তা করে। আপনি ছুটিতে এসে দেশে আটকা পড়লে বেকার হবেন, অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বেন। এ মুহুর্তে ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, বাহরাইন, কাতার, কুয়েতের অনেক প্রবাসী আফসোস করছেন কেন দেশে এসেছিলাম। ছুটিতে দেশে এসে, আপনাকেও যেন আফসোস করতে না হয়। সেজন্য ভেবে চিন্তে দেশে আসুন।

এখনই দেশে আসবেন, নাকি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আরও কিছু দিন পরে আসবেন। আপনার আবেগকে নিয়ন্ত্রন করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে দিন শেষে আপনি নিজেই ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। তবে যারা চাকরি হারিয়ে ফেলেছেন, ভিসার মেয়াদ শেষ, অসুস্থতাসহ নানা কারণে একেবারেই দেশে চলে আসার কথা ভাবছেন, তাদের কথা ভিন্ন।

About mk tr

Check Also

মালয়েশিয়া প্রবাসীদের নিয়ে এইমাত্র যা বললেন ভিপি নুর

  মালয়েশিয়া প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে ভিপি নুরের আহ্বান। বিস্তারিত জানুন নিচের ভিডিও থেকে… আরও পড়ুন: …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *