Breaking News
Home / প্রবাসী খবর / প্রবাসীদের কল্যাণ চাইলে পোস্টটি সবার সাথে শেয়ার করুন

প্রবাসীদের কল্যাণ চাইলে পোস্টটি সবার সাথে শেয়ার করুন

 

প্রবাসীদের কল্যাণ চাইলে পোস্টটি সবার সাথে শেয়ার করুন ও বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্শন করার সুযোগ করে দিন। প্রবাসীরা বাংলাদেশের গর্ব দেশের মোট বার্ষিক আয়ের একটি বড় অংশ আসে প্রবাসীদের কঠোর পরিশ্রমের উপার্জনে টাকা থেকে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বেশিরভাগ কর্ম প্রতিষ্ঠান বন্ধ যার কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপার্জনের রাস্তা নেই বললেই চলে। এমতাবস্থায় যারা দেশে যেতে চান বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে এমন কঠোরতর হয়েছে যা কিনা সম্পুর্ণ অনৈতিক ও অমানবিক। মালয়শিয়া সরকার বাংলাদেশের মানুষকে দেশে যাওয়ার জন্য খুব সহজ নিয়ম দারা দেশে পাঠানোর ব্যাবস্থা করছে। বর্তমানে মালয়শিয়া থেকে দেশে যাওয়ার জন্য যে সকল নিয়মঃ

১/ দেশে যাওয়ার তিন দিন আগে করোনা টেস্ট। ২/ফ্লাইট এর ৬ ঘন্টা আগে সরাসরি এয়ারপোর্টে গিয়ে ফিংগার প্রিন্ট দেওয়া। ৩ ৫০০ রিংগিত জরিমানা। ৪/ নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে ফ্লাইট করে দেশে যাওয়া।

অন্য দিকে আমাদের দেশের সরকার ঃ ১/এয়ারপোর্ট থেকে ধরে নিয়ে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন এ রাখবে। ২/সরকারি ৫ স্টার হোটেলে রাখবে। ৩/ ১৪ দিন কারো সাথে দেখা করতে দিবে না। ৪/ প্রতিদিন হোটেল খরচ বাবদ প্রবাসীদের থেকে ৩ হাজার করে টাকা নিবে। মানে ১৪ দিনে ৪২ হাজার টাকা নিবে। আরো যেসব ভোগান্তি আছে তা না হয় নাই বললাম।

উদাহরণ স্বরুপ যেখানে একজন প্রবাসী করোনা টেস্ট নেগেটিভ নিয়ে দেশে যাবে তাকে কোয়ারেন্টাইন এ রাখা হবে কেন? সুস্থ মানুষের কিসের কোয়ারেন্টাইন? কেনই বা তার কাছে থেকে প্রতিদিন ৩ হাজার করে টাকা হবে? এটা কি মানুষের প্রতি সরকারের সেবা নাকি ব্যাবসা। কেন তারা সরাসরি বাড়িতে যেতে পারবে না।

আপনজনদের সাথে থাকতে পারবে না। প্রত্যেকটা জেলা মহল্লায় মানুষ মাস্ক ছাড়া ঘুরছে। মানুষএর ঘরে খাবার নাই তার কোন মাথা ব্যাথা নাই সরকারের। এ কেমন আচরণ প্রবাসীদের প্রতি। সরকারের প্রতি বিনিত আবেদন অমানবিকতা বাদ দিয়ে প্রবাসীদের জন্য সহজ ও সঠিক আইন পাস করুন।

About mk tr

Check Also

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কারখানা মালিকসহ ৪৫ প্রবাসী রিমান্ডে

  মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৪৫ জন অভিবাসীকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। দেশটিতে অবৈধভাবে গার্মেন্টস কারখানা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *